WhatsApp ব্যবহার করতে কি এবার টাকা লাগবে? ছড়ানো গুজবের বাস্তব সত্য-
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে একটি খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে—WhatsApp ব্যবহার করতে নাকি এবার টাকা দিতে হবে। এই খবরে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারী। তবে বাস্তবে বিষয়টি কতটা সত্য, তা জানা জরুরি।
| WhatsApp ব্যবহার করতে টাকা লাগবে কি না—গুজব নাকি সত্য? INVP News-এর তথ্যভিত্তিক গ্রাফিক নিউজ ইমেজ |
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য WhatsApp এখনো সম্পূর্ণ বিনামূল্য। মেসেজ পাঠানো, ভয়েস কল, ভিডিও কল, ছবি বা ডকুমেন্ট শেয়ার—এই সব পরিষেবার জন্য কোনো চার্জ নেওয়ার ঘোষণা করেনি WhatsApp বা তাদের মূল সংস্থা Meta।
তবে বিভ্রান্তির মূল কারণ অন্য জায়গায়। WhatsApp ইতিমধ্যেই WhatsApp Business প্ল্যাটফর্মে কিছু পেইড ফিচার চালু করেছে। বড় সংস্থা বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যারা গ্রাহকদের সঙ্গে বাল্ক মেসেজিং, কাস্টমার সাপোর্ট বা অটোমেটেড রিপ্লাই ব্যবহার করে—তাদের জন্য নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পেইড ফিচারগুলো সাধারণ ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের জন্য নয়। একজন সাধারণ মানুষ যিনি বন্ধু, পরিবার বা পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য WhatsApp ব্যবহার করেন—তাঁদের কোনো টাকা দিতে হবে না।
WhatsApp কর্তৃপক্ষও আগের মতোই জানিয়েছে,
👉 ব্যক্তিগত চ্যাট ও কল ফ্রি থাকবে
👉 নতুন কোনো চার্জ চালু হলে তা অফিসিয়ালি ঘোষণা করা হবে
তাই, “WhatsApp ব্যবহার করতে টাকা লাগবে”—এই ধরনের পোস্ট বা ফরওয়ার্ড করা মেসেজকে গুজব বলেই ধরা হচ্ছে।
⚠️ ডিসক্লেইমার
এই প্রতিবেদনটি WhatsApp-এর প্রকাশিত নীতিমালা ও বিশ্বস্ত সংবাদসূত্রের উপর ভিত্তি করে লেখা। কোনো ভুয়া দাবি বা গুজব ছড়ানোর উদ্দেশ্য নেই।